হজ্ব করে দীর্ঘ দিন পর অফিসে এলেন মাওলানা সাহেব। কলিগরা তাকে ঘিরে ধরল, ‘জমজমের পানি কই’?
বেচারা মাওলানা সাহেব বিপদে পরলেন। মাত্র পাঁচ লিটার পানি আনতে পেরেছেন৷ তা তো আত্মীয় স্বজনের মাঝেই বিলিয়ে শেষ!
মাওলানা সাহেব কাচুমাচু হয়ে বললেন, ভাই পাঁচ লিটার পানি কাকে রেখে কাকে দিব! আমি তাই বায়তুল্লায় দু’আ করে এসেছি, ‘আল্লাহ যেন আপনাদেরকে যমযম কুপের কাছে নিয়ে তৃপ্তি ভরে আস্বাদনের তাওফীক দেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম পানি’। তিনি আসলেই দু’আ করেছিলেন।
কী চমৎকার দু’আ। আল্লাহ এর ক’দিন পরেই তার এক কলিগকে ডেকে নিলেন বায়তুল্লায়। বায়তুল্লায় যমযমের পানি যেন অবারিত৷ যখনই তিনি যমযমের জার দেখেন, তৃপ্তিভরে পান করেন আর মনভরে দু’আ করেন। নিশ্চয় তার দু’আয় সেই মাওলানা সাহেবও আছেন!
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বায়তুল্লাহর ছায়ায় দাঁড়িয়ে বসে বারবার যমযমের পানি পেট ভরে পান করার তাওফীক দেন।













